ইন্টারভিউ থেকে বাদ পড়ার কারণ

415
নতুন নতুন চাকরির পোষ্ট পেতে আমাদের পেজ লাইক ও শেয়ার করে রাখুন
ইন্টারভিউ

আমরা অনেকেই একের পর এক ইন্টারভিউ দেই; কিন্তু চাকরি হয় না। নিশ্চয়ই আমরা কোনো না কোনো কারণে রিক্রুটারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারি না। যে কারণে ইন্টারভিউ থেকে বাদ পড়ে যাই।

ইন্টারভিউ থেকে বাদ পড়ার এরকম অর্ধশত কারণ উল্লেখ করা হলো :
১. বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত জব ডিসক্রিপশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উত্তর দিতে না পারা।
২. অল্পতে ঘাবড়ে যাওয়া বা মানসিক চাপ গ্রহণ করতে না পারা। সাধারণত বহুদিন পর ইন্টারভিউ দিতে গেলে এরকম হয়।
৩. শুধু একটি জব পাওয়ার জন্য যেকোনো নৈতিক ও অনৈতিক কাজ করতে অনাপত্তি প্রকাশ।
৪. কাজের চেয়ে বেতন, সুযোগ-সুবিধা, ছুটি ইত্যাদি বিষয়ে বেশি আলাপ করা।
৫. সিদ্ধান্ত নিতে না পারা অথবা সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য অপরের উপরে নির্ভরশীলতা প্রকাশ করা।
৬. পূর্ববর্তী চাকরির ব্যাপারে নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ।
৭. প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে কোনো প্রকার ধারণা না নিয়ে ইন্টারভিউ দিতে যাওয়া।
৮. বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত কার্যাবলীর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এমন কাজের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ বা অতিরিক্ত কথা বলা।
৯. যেকোনো বিষয়ে অজুহাত দাঁড় করানো এবং তর্কে জড়ানো।
১০. অসামঞ্জস্যপূর্ণ আর্থিক চাহিদা প্রকাশ।
১১. গুরুগম্ভীর, সবজান্তাসুলভ আঁতেল ভাব প্রকাশ করা।
১২. ক্যারিয়ারের ব্যাপারে পরিকল্পনার অভাব।
১৩. সৌজন্যবোধ ও টিম ওয়ার্কের অভাব।
১৪. নিজের কর্মক্ষেত্রের বিষয়ে জ্ঞানের অভাব।
১৫. সিভিতে অতিরঞ্জিত ও মিথ্যা তথ্য প্রদান করা।
১৬. দুর্বল করমর্দন, অযথা হাত-পা নাড়াচাড়া করা, হাই তোলা বা কোন শব্দ করা।
১৭. আবেদনপত্র ভুলভাবে উপস্থাপন করা।
১৮. নিজের যোগ্যতার পরিবর্তে অন্য কোনো বিশেষ ব্যক্তির পরিচয়কে কাজে লাগানোর চেষ্টা করা।
১৯. কঠিন পরিবেশে কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করা।
২০. পূর্বের কোন বাজে রেকর্ড (অনৈতিক কাজের জন্য চাকরি চলে যাওয়া)।
২১. শিক্ষা জীবনে খারাপ রেজাল্ট।
২২. উচ্চাভিলাষী ও অহংকারী মনোভাব প্রকাশ করা।
২৩. দেরিতে ইন্টারভিউ দিতে যাওয়া এবং ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার সময় কলম ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না নিয়ে যাওয়া।
২৪. একটি মিথ্যা তথ্যকে সত্য করার জন্য একের পর এক মিথ্যা বলা।
২৫. বয়স ও শিক্ষা অনুযায়ী পরিপক্কতার অভাব।
২৬. সিদ্ধান্ত গ্রহণে একরোখা মনোভাব প্রকাশ।
২৭. সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের অভাব।
২৮. প্রশ্ন ঠিকভাবে না শুনে উত্তর দেয়া।
২৯. কোম্পানির নিয়মবিরোধী চিন্তা-চেতনার বহিঃপ্রকাশ।
৩০. সঠিক উত্তর জানা না থাকলেও ভুল উত্তর দিয়ে ইন্টারভিউ বোর্ডের উপস্থিত সবাইকে ইম্প্রেস করার ব্যর্থ চেষ্টা।
৩১. কাজের ধরন না জেনে ইন্টারভিউ দিতে আসা।
৩২. প্রশ্নোত্তরের ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক বিষয়বস্তু টেনে আনা।
৩৩. নিম্নমানের শব্দচয়ন, ব্যাকরণের ভুল প্রয়োগ ও কিছু কিছু ক্ষেত্রে আঞ্চলিকতা প্রকাশ।
৩৪. আত্মবিশ্বাসের অভাব, চ্যালেঞ্জ নিতে না পারা, ভীতি প্রকাশ এবং কমফোর্টের বাইরে বেরিয়ে এসে কাজ করতে না চাওয়ার মনোভাব।
৩৫. আগ্রহ এবং কৌতুহলের অভাব।
৩৬. কম্পিটিশনের ভয় থাকা।
৩৭. কৌশল, প্রাণ চাঞ্চল্য ও উদ্দীপনার অভাব।
৩৮. নিয়োগকর্তার দিকে না তাকিয়ে উত্তর দেয়া।
৩৯. নিয়োগকর্তাকে অতিরিক্ত সম্মান প্রদর্শন করা অথবা পূর্ববতী বসের ব্যাপারে নেগেটিভ কথা বলা।
৪০. স্বল্পসময়ের জন্য কাজ করার মনোভাব প্রকাশ।
৪১. মুখ গোমড়া করে থাকা।
৪২. প্র্যাক্টিকাল ও জেনারেল নলেজের অভাব।
৪৩. উদ্ভট, বেমানান অথবা নিম্নমানের পোশাক হলে নিম্নমানের ব্যক্তিত্ব প্রকাশ পায়।
৪৪. কোনো কাজ সহজে করার জন্য কূটকৌশল ইন্টারভিউয়ারদের সামনে বলা।
৪৫. অ্যাসেসমেন্ট সেন্টারের রিকোয়ারমেন্টগুলো মিট করতে না পারার কারণে অনেকে বাদ পড়ে যান।
৪৬. প্রশ্ন করার পর উত্তর দিতে অতিরিক্ত সময় নেয়া।
৪৭. বার বার ফোন চেক করা, কল করা বা উচ্চস্বরে কথা বলা।
৪৮. নিজের দুর্বলতাকে প্রকাশ করা।
৪৯. ‘আমার একটি চাকরি দরকার’ বা ‘আমাকে নিন’- এধরনের কথা বলা।
৫০. চুপ থাকা বা জড়তা কাজ করলে।